আল্লাহ্কে ভয় করুন
এক রাত্রে রাসূল (সাঃ) সালামার গৃহে ছিলেন। মধ্য রাত্রে উঠে তিনি ঘরের এক কোণে দাঁড়িয়ে দোয়া করছিলেন এবং ক্রন্দন করছিলেন। উম্মে সালামা শব্দ শুনে এগিয়ে গিয়ে দেখলেন রাসূল (সাঃ) ঘরের এক কোণে দাঁড়িয়ে আকাশের দিকে হাত তুলে ক্রন্দন করছেন এবং বলছেন, “হে আল্লাহ যে সকল নেয়ামত আমাকে দিয়েছেন তা আমার থেকে উঠিয়ে নিবেন না!” হে আল্লাহ আমাকে দুশমনদের তিরষ্কার থেকে রক্ষা করুন এবং যারা আমার প্রতি ঈর্ষা পোষন করে তাদরকে আমার উপর আধিপত্য দিবেন না! হে আল্লাহ যে সকল গোনাহ থেকে আমাকে মুক্ত করেছেন কখনোই আমাকে সে গোনাহে পতিত করবেন না! হে আল্লাহ কখনোই আমাকে আমার উপর এক রাত্রে রাসূল (সাঃ) উম্মে ছেড়ে দিবেন না এবং আপনিই আমাকে সকল দুর্বিপাক হতে রক্ষা করুন!
উম্মে সালামা রাসূল (সাঃ) এর এ দোয়া শুনে কাঁদতে কাঁদতে বিছানায় ফিরে গেলেন। রাসূল (সাঃ)বললেন, “কাঁদছ কেন উম্মে সালামা?”
উম্মে সালামা বললেন, “ইয়া রাসূলাল্লাহ, কিভবে না কেঁদে পারি! আপনি এত বেশী মর্যাদার অধিকারী হওয়া সত্তেও যেভাবে আল্লাহর দরবারে রোনাজারী করছেন এবং তার কাছে চাইছেন যে আপনাকে এক মুহুর্তের জন্যেও যেন তিনি আপনাকে আপনার উপর ছেড়ে না দেন। তাহলে আমাদের অবস্থাতো খুবই শোচনীয়!”
রাসূল (সাঃ) বললেন, “কেন ভয় করবনা, কেন ক্রন্দন করবনা কেনইবা আমার শেষ পরিণতি সম্পর্কে চিন্তিত থাকবনা আর কিভাবেই বা আমার মর্যাদা ও সম্মানের ব্যাপারে নিশ্চিন্ত থাকব! আল্লাহপাক হযরত ইউনুসকে এক মুহুর্তের জন্যে তার উপর ছেড়ে দেওয়ার জন্যে কি কঠিন বিপদই না তার উপর আপতিত হয়েছিল।”
(বিহারুল আনওয়ার খন্ড ১৬ পৃঃ ২১৭) সূত্র : বিহারুল আনওয়ার কাহিনী সম্ভার
উম্মে সালামা রাসূল (সাঃ) এর এ দোয়া শুনে কাঁদতে কাঁদতে বিছানায় ফিরে গেলেন। রাসূল (সাঃ)বললেন, “কাঁদছ কেন উম্মে সালামা?”
উম্মে সালামা বললেন, “ইয়া রাসূলাল্লাহ, কিভবে না কেঁদে পারি! আপনি এত বেশী মর্যাদার অধিকারী হওয়া সত্তেও যেভাবে আল্লাহর দরবারে রোনাজারী করছেন এবং তার কাছে চাইছেন যে আপনাকে এক মুহুর্তের জন্যেও যেন তিনি আপনাকে আপনার উপর ছেড়ে না দেন। তাহলে আমাদের অবস্থাতো খুবই শোচনীয়!”
রাসূল (সাঃ) বললেন, “কেন ভয় করবনা, কেন ক্রন্দন করবনা কেনইবা আমার শেষ পরিণতি সম্পর্কে চিন্তিত থাকবনা আর কিভাবেই বা আমার মর্যাদা ও সম্মানের ব্যাপারে নিশ্চিন্ত থাকব! আল্লাহপাক হযরত ইউনুসকে এক মুহুর্তের জন্যে তার উপর ছেড়ে দেওয়ার জন্যে কি কঠিন বিপদই না তার উপর আপতিত হয়েছিল।”
(বিহারুল আনওয়ার খন্ড ১৬ পৃঃ ২১৭) সূত্র : বিহারুল আনওয়ার কাহিনী সম্ভার
Comments
Post a Comment